Showing posts with label INTERNATIONAL. Show all posts
Showing posts with label INTERNATIONAL. Show all posts

Friday, January 12, 2018

১৫ বছরের ছাত্রের সঙ্গে ২৯ বছরের শিক্ষিকার অসম যৌন সম্পর্ক!

১৫ বছরের ছাত্রের সঙ্গে ২৯ বছরের শিক্ষিকার অসম যৌন সম্পর্ক!



১৫ বছরের ছাত্রের সঙ্গে ২৯- মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন শিক্ষিকা আন্দ্রেয়া নিকোলে বাবের (২৯)। একদিন তার স্বামী বাসায় ফিরে তাদেরকে বিছানায় দেখতে পান আপত্তিকর অবস্থায়।

ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর চলে যায় ওই ছাত্রের পিতামাতার কাছে। তারা পুলিশে খবর দেন। এরপর শুক্রবার ওই শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে তোলপাড় চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন রাজ্যে। বলা হচ্ছে ওই বালকের সঙ্গে এক বছরেরও বেশি এই অসম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন বাবের। তিনি অরিগন রাজ্যে একটি খ্রিস্টান স্কুলের শিক্ষিকা। তার বাসা অরিগনের কটেজ গ্রোভে।

গত ১২ই ডিসেম্বর ওই বালকটির পিতা পুলিশে অভিযোগ করেন। এর আগে তাদের কাছে অজ্ঞাত ইমেইল থেকে জানতে চাওয়া হয় ওই বালককে এবং লোগোস খ্রিস্টান একাডেমির ওই শিক্ষিকাকে চেনেন কিনা।

ওই ইমেইলে জানানো হয়, ওই বালকের সঙ্গে ওই শিক্ষিকা যৌন সম্পর্কে জড়িত। এতে যুক্ত করা হয় ওই শিক্ষিকা ও ছাত্রের ছবি। ঘটনা জানাজানি ও শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তারের পর ওই বালক জানায়, সে ও শিক্ষিকা বাবের ২০১৭ সাল থেকেই যৌন সম্পর্কে জড়িত। তখন তার বয়স ১৫ বছর।

এ অভিযোগে ডগলাস কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে শিক্ষিকা বাবেরকে। তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণ সহ অসম সম্পর্ক গড়ে তোলা সহ বেশ কতগুলো অভিযোগ আনা হয়েছে।

পাঁচ বউয়ের দ্বারা গণধর্ষণে স্বামীর মৃত্যু, সমালোচনার ঝড়

পাঁচ বউয়ের দ্বারা গণধর্ষণে স্বামীর মৃত্যু, সমালোচনার ঝড়

গণধর্ষণে স্বামীর মৃত্যু- এতদিন গণধর্ষণের শিকার হয়ে এসেছেন কেবল নারীরাই। আর ধর্ষকের ভূমিকায় থেকেছে পুরুষ। এবার ঘটলো ঠিক তার উল্টো ঘটনা।

নাইজেরিয়ায় এক ব্যবসায়ী তার পাঁচ বউয়ের দ্বারা ধর্ষিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। নিহত ঐ ব্যক্তির নাম ইউরোকো ওনোজা। তার মোট ছয় স্ত্রী ছিল।

ওনোজা সারা রাত বাইরে পার্টিতে ছিল। তখন তার ৬ বউ তার সঙ্গ পেতে অপেক্ষা করছিল। ভোররাতে বাসায় ফিরে সে তার সবচেয়ে ছোট বউয়ের ঘরে যায়। এতে তার বাকি ৫ বউ ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি ও ছুরি নিয়ে তার বেডরুমে যায় এবং তাদের সাথে মিলনের জন্য জোর করতে থাকে।

তারপর ওনোজা একে একে চার বউয়ের সাথে যৌন মিলনে বাধ্য হয়। পঞ্চম বউয়ের সাথে মিলনের সময় সে স্ট্রোক করে মারা যায়।

এ ঘটনার পর পরই তার পাঁচ বউ পালানোর চেষ্টা করে তবে পুলিশ দুই জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তাদের পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র হয়ে যা করল মহিলা তা দেখে হতবাক প্রত্যক্ষদর্শীরাও!

যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র হয়ে যা করল মহিলা তা দেখে হতবাক প্রত্যক্ষদর্শীরাও!যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে- নারীদের উপর যৌন হেনস্তার ঘটনা আখছার ঘটে চলেছে। শুধু এ দেশেই নয়, এ রোগের শিকড় প্রতিটি দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেক মহিলাই যৌন হেনস্তা, শ্লীলতাহানির মতো ঘটনায় ভয় পেয়ে সিঁটিয়ে যান। ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলেন। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন।

কিন্তু ব্রাজিলের এই মহিলা যা করলেন তাতে তাজ্জব হয়ে গেলেন প্রত্যক্ষদর্শীরাও। আর যে ব্যক্তি শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল, এ ঘটনার পর অন্য কোনও মহিলার দিকে তাকানোর আগেও হয়তো দু’বার ভাববে সে।

একটি ইংরাজি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এক মহিলা বিক্রেতাকে কর্মরত অবস্থাতে প্রকাশ্যেই উত্যক্ত করছিলেন এক ব্যক্তি। আর তাতেই মেজাজ হারান মহিলা।

ধাক্কা মেরে ব্যক্তিকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। আশেপাশে লোকজনও জড়ো হয়ে যান। মহিলার বক্তব্য, কাজের মধ্যে প্রায়ই শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয় তাঁকে।

তাই এবার সহ্যের বাঁধ ভেঙেছে। কিন্তু তাঁর প্রতিবাদ আর রাগ প্রকাশের ভাষা ছিল আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। প্রকাশ্যেই নিজের উর্ধাঙ্গের পোশাক খুলে ফেলেন তিনি।

সঙ্গে ব্যক্তির উদ্দেশে চিৎকার করতে থাকেন, “কী চাও তুমি, আমার এই স্তন?” বলেই বিবস্ত্র হয়ে নিজের স্তন যুগল অভিযুক্তর মুখে ঘষতে থাকেন। মহিলার কাণ্ড দেখে হতবাক প্রত্যক্ষদর্শীরাও।

অনেকেই এই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করেছেন। যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।যদিও ওই ব্যক্তি বারবার এমন অভিযোগ অস্বীকার করতে থাকেন।

বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে শপিংয়ে বেরিয়েছিলেন। মহিলাকে কোনওভাবেই উত্যক্ত করেননি। তবে ব্যক্তির কোনও কথাই শোনেননি মহিলা। উলটে বিবস্ত্র হয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া এই মডেল নিজেকে যা উপহার দিলেন!

ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া এই মডেল নিজেকে যা উপহার দিলেন!


ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া- ভারতের রূপান্তরকামী মডেল গৌরব অরোরা লিঙ্গ পরিবর্তন করে নতুন রূপে নতুন করে জীবন শুরু করেছিলেন। ফের নতুন করে শিরোনামে এসেছেন এই মডেল।

গৌরব থেকে গৌরি শুধু নারীত্ব পাওয়াই নয়, বিকিনি পরে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে র‍্যাম্পে হেঁটে যাবেন গৌরী এমনটা মনে হয় কেউ ভাবিনি। সেই দৃশ্যই দেখা গেল কিছুদিন আগে।

এমটিভি ‘ইন্ডিয়ার নেক্সট টপ মডেল’ শো’তে বিচারকদের সামনে বিকিনি পরে হেঁটে এলেন তিনি। যে নাকি কিছুদিন আগেই গৌরব নামে পুরুষ হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন চ্যানেলেরই আর এক শো ‘স্প্লিটসভিলা’তে।

‘ইন্ডিয়ার নেক্সট টপ মডেল’ শো’তে বিচারকের আসনে ছিলেন মালাইকার অরোরা, মিলিন্দ সোমান, ডাব্বু রতনানির মত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে গৌরী বললেন, ‘নারী হওয়া একটা ঈশ্বরপ্রদত্ত উপহার। আমি নিজেকে একটা ‘ভ্যাজাইনা’ উপহার দিয়েছি। তিন বছর আগে আমি একজন পুরুষ মডেল ছিলাম।

ম্যাগাজিনের কভারেও জায়গা করে নিয়েছিলাম। আমার এইট প্যাক অ্যাবস ছিল, ১৬ ইঞ্চি বাইসেপ। খুবই ফিট মডেল ছিলাম আমি। আজও আমি নার্ভাস। কারণ, আমার কাঁধ চওড়া। তবে প্রত্যেকদিন আমি একজন নারী হয়ে উঠছি।

পরে গৌরী আরও বলেন, ছোট থেকে এক অদ্ভুত অনুভূতি ছিল তার। তবে কাউকে বলতে পারেননি। তবে তার বাবা-মা বরাবরই তার পাশে থেকেছেন।

তিনি বিকিনি পরতে পারবেন কিনা প্রশ্ন করা হলে গৌরী বলেন, ‘আমার বয়ফ্রেন্ড আর আমার বাবা আমাকে বিকিনি পরতে বারণ করেছেন কারণ মহিলা হিসেবে এটাই আমার প্রথম শো আর সবাই ভাববে আমি এই শো’-এর জন্যই লিঙ্গ পরিবর্তন করেছি।’

গতি দানব বোল্টের সঙ্গে রাত কাঁটিয়ে একি বললেন ব্রাজিলের তরুণী!

গতি দানব বোল্টের সঙ্গে রাত কাঁটিয়ে একি বললেন ব্রাজিলের তরুণী!


গতি দানব বোল্টের সঙ্গে- তিনিই বিশ্বশ্রেষ্ঠ, তা প্রমাণ করে দেয়ার অব্যবহিত পরেই বেরিয়ে পড়েছিল জ্যামাইকান কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের অন্য চেহারা।

ব্রাজিলের ২০ বছর বয়সী তরুণী জেডি ডুয়ার্টে বোল্টের সঙ্গে একরাত কাটানোর যে অভিজ্ঞতা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তুলে ধরেছেন, তাতে একথা মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে, এহেন বোল্ট ট্র্যাকে গতির সম্রাট হতে পারেন কিন্তু বিছানায় তিনি ম্যারাথন রানার।

ডুয়ার্টে ও বোল্টের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। বোল্টের সঙ্গে রাত কাটানোর

জন্য বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন ডুয়ার্টে। এহেন ডুয়ার্টে সেই রাতের ধারাবিবরণী দিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে।

কীভাবে বোল্টের নজরে পড়লেন তিনি? কীভাবে হল তাদের ঘনিষ্ঠতা?

ডুয়ার্টে বলছেন, ‘‘বোল্ট যত দ্রুত সোনা জিততে পারে, তার থেকেও দ্রুতগতিতে নারীদের জিতে নেয়ার ক্ষমতা ধরে। ’’

শনিবার রাতে বোল্টের সঙ্গে রিওর এক ক্লাবে দেখা হয়েছিল ডুয়ার্টের। তরুণীর খানিক আগেই দাঁড়িয়েছিলেন বোল্ট।

ব্রাজিলীয় তরুণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে যাচ্ছিলেন জ্যামাইকান কিংবদন্তি। হঠাৎই বোল্ট তার শরীর থেকে সরিয়ে ফেলেন জামা। তার বিখ্যাত সিক্স প্যাক তখন দৃশ্যমান। সেই সিক্স প্যাকের আবেদন অগ্রাহ্য করেন কীভাবে ডুয়ার্টে?

বোল্টের সুগঠিত শরীর দেখেই ফিদা ডুয়ার্টে। অলিম্পিক্সের মহান নায়কের ভীষণ সুন্দর পেশিবহুল শরীরী সৌন্দর্য ডুয়ার্টেকে উন্মাদ করে দেয়।

কোনো এক অমোঘ আকর্ষণ যেন ব্রাজিলীয় সুন্দরীকে টেনে নিয়ে গেল বোল্টের কাছে। প্রথমটায় ডুয়ার্টে বুঝেই উঠতে পারেননি তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দীঘল চেহারার মানুষটিই বোল্ট।

সম্বিৎ যখন ফেরে, তখন বোল্টের এক বডিগার্ড ডেকে পাঠান। পিছপা না-হয়ে ডুয়ার্টে সটান উঠে বসেন ট্যাক্সিতে। সেখানে চলে নিরন্তর চুম্বন। বোল্ট ও ডুয়ার্টের ট্যাক্সি সোজা ঢুকে যায় অলিম্পিক্স ভিলেজে। কেউ থামায়নি গাড়ি। কেউ জানতেও চাননি ডুয়ার্টের পরিচয়।

দামি হোটেলে না নিয়ে গিয়ে বোল্ট কেন ভিলেজে গেলেন? এই সব ভাবার মতো অবকাশ ছিল না ডুয়ার্টের। তিনি তখন ভীষণভাবে মত্ত বোল্টে।

খুব অল্পই কথা হয়েছিল দু’ জনের মধ্যে। যেটুকু কথা হয়েছিল, তাতে ডুয়ার্টের রূপের তারিফ করেন বোল্ট।

জ্যামাইকান কিংবদন্তির ভাবগতিক দেখে ডুয়ার্টের বুঝতে সমস্যা হয়নি, বোল্ট ‘সেক্স’ করতে চাইছেন।

ঘরে ঢুকতেই শুরু হয়ে গেল বোল্ট ও ডুয়ার্টের গভীর ভালবাসা।

ডুয়ার্টে বলছেন, ‘‘দীর্ঘ সময় ধরে আমরা সেক্স করছিলাম। ’’ প্রথমটায় চল্লিশ মিনিট। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়ার পরে আবার চলতে থাকে দু’জনের উদ্দামতা।

সকাল ৯টায় ডুয়ার্টের হাতে ট্যাক্সি ভাড়া গুঁজে দিয়ে বোল্ট জানান, প্যারাঅলিম্পিক্সের সময়ে আবারো তাদের দেখা হবে। ডুয়ার্টেকে নম্বর অবশ্য দেননি বোল্ট।

জ্যামাইকান কিংবদন্তিতে মজে থাকা ডুয়ার্টে বলেছেন, ‘‘বোল্টকে দুরন্ত দেখতে। বিরাট বড় তারকা। সেই সঙ্গে বোল্ট অসভ্যও বটে। সেই রাতের অভিজ্ঞতা দারুণ।

Thursday, January 11, 2018

নিষিদ্ধ পল্লী থেকে বোনকে উদ্ধার করতে খদ্দের সেজে যৌনপল্লীতে ভাই

নিষিদ্ধ পল্লী থেকে বোনকে উদ্ধার করতে খদ্দের সেজে যৌনপল্লীতে ভাই



খদ্দের সেজে যৌনপল্লীতে- ভারতের বিহার রাজ্যের বেগুসরাই জেলার নিষিদ্ধ পল্লী বখরি এলাকায় গিয়ে এক যুবক ২০০ রুপি তুলে দিয়েছিল এক দালালের হাতে।

তারপরেই সেই যুবকের ‘পছন্দ’ করা দেহ ব্যবসায়ীর ঘরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছিল। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই যুবকটি বেরিয়ে আসে সেই ঘর থেকে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবারও সে ফিরে এসেছিল সেই ‘কোঠা’য়, এবারে সঙ্গে পুলিশ।

দেহ ব্যবসায়ীদের মধ্যে থেকে যুবকের ‘পছন্দ’ করা সেই মেয়েটি সামনে এগিয়ে এসেছিল। এই পর্যন্ত পড়ে কি আপনাদের মনে হচ্ছে যে এটা কোনও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য?

একেবারেই নয়। এটা সম্পূর্ণ সত্যি ঘটনা। চমকের আরও বাকি আছে।

দিন কয়েক আগে বেগুসরাইয়ের ওই নিষিদ্ধ পল্লীতে যে মেয়েটিকে ‘পছন্দ’ করেছিল দালালের হাতে টাকা তুলে দেয়া যুবকটি, সে তারই বোন। বছর তিনেক আগে হারিয়ে যাওয়া বোনকে উদ্ধার করতেই ওই যুবক ‘খদ্দের’ সেজে হাজির হয়েছিল ওই যৌনপল্লীতে।

বিহারের পুলিশ সেদিন দুজন নারীকে দেহব্যবসা থেকে উদ্ধার করেছে। তাদেরই মধ্যে একজন বিহারেরই আরেক জেলা শিবহরের বাসিন্দা প্রতিমা (নাম পরিবর্তিত)।

তিনি নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পরে ফোনে বিবিসিকে জানিয়েছেন, ‘বছর তিনেক আগে অশোক খলিফা নামে এক ব্যক্তি সীতামাড়ি জেলা থেকে আমাকে ফুঁসলিয়ে বুখরিতে নিয়ে যায়। তারপর থেকেই ওই কাজ করাতে বাধ্য করেছিল সে।’

ছোট ছেলেকে নিয়ে তখন থেকেই বখরির ওই নিষিদ্ধ পল্লীতে এক রকম বন্দি জীবন কাটাতেন ওই নারী। বাইরের জগতের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখতে দেয়া হতো না।

‘সপ্তাহ দুয়েক আগে আমার ঘরে এক ফেরিওয়ালা এসেছিল। আমি তাকে দেখেই চিনতে পেরেছিলাম- সে আমার বাপের বাড়ির এলাকার লোক। সে বলেছিল যে আমাকে চিনতে পেরেছে।

আমি তার মোবাইল নম্বরটা নিয়ে রেখেছিলাম। মাঝে ফোনে কয়েকবার আলোচনা করেছি তার সঙ্গে যে কীভাবে ওখান থেকে পালানো যায়, তা নিয়ে’- জানাচ্ছিলেন ওই নারী।

গ্রামে ফিরে এসে ওই নারীর আত্মীয়-স্বজনকে পুরো ঘটনা জানান ওই ফেরিওয়ালা। বাপের বাড়ির কয়েকজন ওই নারীকে যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার করার জন্য বেগুসরাইতে হাজির হন।

প্রতিমার ভাই মনোজ (নাম পরিবর্তিত) বিবিসিকে বলেন, ‘ফোনেই ওই ফেরিওয়ালা আমার বোনকে জানিয়ে রেখেছিল যে আমি আসছি। সেইমতো আমি অশোক খলিফা নামের ওই দালালের কাছে যাই খদ্দের সেজে।

২০০ রুপিতে রফা হওয়ার পরে আমার সামনে দুজনকে হাজির করা হয়েছিল। চোখের ইশারা করে দিয়েছিলাম বোনকে। তার ঘরে গিয়ে বলে আসি যে পুলিশ নিয়ে আসছি একটু পরে।’

প্রতিমার বাবা আগেই বখরি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এরপরে ভাই থানায় গিয়ে পুলিশ দল নিয়ে ফিরে আসেন। তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় প্রতিমা এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বাসিন্দা আরেক নারীকে।

বখরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরৎ কুমার বিবিসিকে জানিয়েছেন, ‘প্রতিমাকে উদ্ধার করার পরের দিনই মেডিক্যাল পরীক্ষা করিয়ে আদালতে পেশ করা হয়। তারপরেই তার বাবা-মায়ের হেফাজতে তুলে দেয়া হয়েছে।’

অভিযোগপত্রে নাম থাকা নাসিমা খাতুন নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে মূল অভিযুক্ত অশোক খলিফা এখনও ফেরার।

Sunday, December 24, 2017

সীমান্তে মানব পাচার বাড়ার পেছনে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি




আমেরিকার সীমান্তে মানবপাচার বেড়েছে আগের চেয়ে। আর এর পেছনে বর্তমান ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতিকেই মুখ্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশ্লেষকেরা।

ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একরকম যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি তা বাস্তবে রূপ দিতে নিয়েছেন বিভিন্ন পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি অভিবাসন ও কাস্টমস এজেন্টদের তৎপরতা বেড়েছে ব্যাপকভাবে। দীর্ঘদিন আমেরিকায় থাকা অনেকেই শিকার হয়েছেন বিতাড়নের। আর সীমান্তে কঠোর যাচাই-বাছাই তো রয়েছেই। এ অবস্থায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমেরিকা অভিমুখী মানুষেরা মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। তাদের চাওয়া একটাই কোনোমতে সীমান্ত পার করে আমেরিকায় প্রবেশ।
বিশ্লেষকদের মতে, কোনো দেশ যখন অভিবাসন নীতি কঠোর করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই ওই দেশকে কেন্দ্র করে মানবপাচার চক্রের তৎপরতা বাড়ে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্সফোর্ড মার্টিন স্কুলের গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিবেদন মতে, ‘সীমান্তে অতি নিয়ন্ত্রণই মানবপাচারের মুখ্য কারণ। সীমান্ত যত কঠোর হয়, শরণার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে ততই মানবপাচার চক্রের প্রতি আস্থা বাড়ে। কঠোর অভিবাসন নীতিই মূলত মানুষকে এ ধরনের ঝুঁকি গ্রহণে প্ররোচিত করে।’
বর্তমান মার্কিন অভিবাসন নীতিতে মানবপাচারের হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে। এই সীমান্তে মানবপাচারকারীরা ‘কয়োটস’ নামে পরিচিত। এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন ওয়াশিংটন অফিস অন ল্যাটিন আমেরিকার সামরিক পর্যবেক্ষণ বিভাগের পরিচালক অ্যাডাম আইজাকসন বলেন, ‘বর্তমানে কোনো অভিবাসন প্রত্যাশীই কয়োটস কিংবা আমেরিকায় প্রবেশের পথ সম্পর্কে অভিজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার কথা ভাবতে পারে না। আর কঠোর অভিবাসন নীতির সুবিধাটি নিচ্ছে মূলত এই মানবপাচার চক্র। বিপুল অর্থের বিনিময়ে তারা ঠিকই মানুষকে আমেরিকায় নিয়ে যাচ্ছে। কোনো ক্ষেত্রে দুর্ঘটনাও ঘটছে।’
আমেরিকার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিভাগের তথ্য বলছে, অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মানবপাচারের হার বেড়েছে। এমনকি এই হার ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার চলাকালেই বাড়তে শুরু করে, যখন ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্য দিতে শুরু করেন। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ১১৭টি মানবপাচারের ঘটনা আইসিই শনাক্ত করেছে। অথচ পুরো ২০১৬ সালেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ২ হাজার ১১০ টি। আর এর আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৮৬ টি।
অন্য সব ক্ষেত্রের মতোই এখানেও চাহিদা ও জোগানের হিসাব মিলিয়ে পাচার চক্র তাদের দাম বাড়িয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদনমতে, ২০১৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর মানবপাচার ফি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সীমান্ত এলাকার ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে সে সময় গড়ে প্রতি জন ব্যক্তিকে আমেরিকায় প্রবেশ করাতে কয়োটস সাড়ে তিন থেকে চার হাজার ডলার নিত। ২০০৯ সালে এ ফি ছিল জনপ্রতি এক থেকে দুই হাজার ডলার। আর সাম্প্রতিক অন্তত একটি ঘটনায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে মানবপাচারকারীরা ৯ হাজার ২০০ ডলার নিয়েছিল বলে জানা গেছে।
মানবপাচারকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রাণসংশয়েরও কারণ হয়ে উঠছে। অনেকেই আমেরিকায় আসতে পাচারকারীদের সহায়তা নিলেও শেষ পর্যন্ত জীবন নিয়ে আসতে পারেন না। ফেডারেল কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ১৯৯৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শুধু দক্ষিণ সীমান্তেই সাত হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী পথেই মারা গেছেন। কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন বিভাগের মুখপাত্র নিউজউইককে বলেন, আমেরিকায় প্রবেশ করতে গিয়ে পথেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের সবাই মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতার শিকার।
গত জুলাইয়েই সান আন্তোনিওতে ওয়ালমার্টের একটি বিক্রয়কেন্দ্রের সামনে পাওয়া একটি ট্রাক থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ১০ জন মূলত মানবপাচারকারী চক্রের শিকার। আর আরও ভালো করে বললে পেছনের মুখ্য কারণটি ওই কঠোর অভিবাসন নীতিতেই।
অ্যাডাম আইজাকসন বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার কারণেই এসব ব্যক্তি মারা পড়েন। পাচারকারী চক্র এসব ক্ষেত্রে মরদেহ রেখে সটকে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি নির্ভর করে পাচারকারীকে কত দেওয়া হয়েছে, তার ওপর। উচ্চ মূল্য পরিশোধ করলে, মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় আসতে দুই দিনের মতো সময় লাগে। আর কম মূল্যের ক্ষেত্রে যাত্রাপথের বিড়ম্বনা বেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে হাঁটতে হয় প্রচুর। এমনকি নির্যাতনেরও শিকার হতে হয়। আর নিশ্চিতভাবেই সীমান্ত এলাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ছেড়ে পাচারকারীরা সটকে পড়ে, কোনো দায়িত্ব না নিয়েই।

Friday, December 22, 2017

2 Palestinians killed in anti-US protests

Palestinian militants of the Popular Front for the Liberation of Palestine (PFLP) demonstrate their skills during a military exercise in front of the media, on beach in the southern Gaza Strip, on 22 December 2017. Reuters

Israeli troops shot dead at least two Palestinians and wounded about 60 with live fire on Friday, the health ministry in Gaza said, as protests intensified against Washington’s recognition of Jerusalem as Israel’s capital.

A UN General Assembly resolution passed on Thursday, rejecting US president Donald Trump’s 6 December Jerusalem declaration, did little to calm Palestinian anger over his reversal of decades-old US policy on the contested holy city.

Instead, thousands of Palestinian protesters, many of them throwing rocks, confronted Israeli security forces along the Gaza border fence, in all of occupied West Bank’s seven cities and in East Jerusalem.

In Bethlehem, the traditional birthplace of Jesus, smoke from burning tyres billowed in the street, just two days before Christmas celebrations.

Israeli gunfire killed two Palestinians in a confrontation in the southern Gaza Strip, a spokesman for the Palestinian Health Ministry said, putting the number of wounded at 120, half of them shot with live ammunition and the rest struck by rubber bullets or hit by tear gas canisters.

In a statement, the Israeli military said some 2,000 Palestinians had faced off against the troops at the Gaza border fence. It said the crowd threw stones and rolled burning tyres at soldiers, who responded with “riot dispersal” measures and “fired live rounds selectively towards main instigators”.

Protesters chanted “Trump is a coward. Trump is a fool”. Among the wounded was a man dressed as Santa Claus.

Palestinian health officials said at least one Palestinian suffered a live bullet wound in the West Bank and some 30 protesters were hit by rubber bullets. The military, putting the number of demonstrators at about 1,700 and the injured at six, said troops faced firebombs, rocks and burning tyres.

The protests died down after sunset. Demonstrations have been held daily since Trump’s announcement. Palestinian President Mahmoud Abbas, in a Christmas message, called the U.S. leader’s move “an insult to millions of people worldwide, and also to the city of Jerusalem”.

“HOUSE OF LIES”

Israel considers Jerusalem its eternal and indivisible capital. Palestinians want the capital of an independent Palestinian state to be in the city’s eastern sector, which Israel captured in the 1967 Middle East War and annexed in a move never recognised internationally.

Most countries regard the status of Jerusalem as a matter to be settled in an eventual Israeli-Palestinian peace agreement, although that process is now stalled.

A total of 128 countries voted for the UN resolution. Nine opposed it and 35 abstained. Twenty-one countries did not cast a vote.

Sami Abu Zuhri, a spokesman for Gaza’s dominant Hamas Islamists, called the UN vote a defeat for Trump, while Israeli prime minister Benjamin Netanyahu rejected the resolution as “preposterous” and branded the UN a “house of lies”.

But Michael Oren, Israel’s deputy minister for diplomacy, seemed to play down the support for the resolution shown by many countries Israel considers friends.

“We have an interest in tightening our bilateral relations with a long list of countries in the world, and expect and hope that one day, they will vote with us, or for us in the United Nations,” Oren said on Tel Aviv radio station 102 FM.

“But I am not prepared to suspend all cooperation with important countries, such as India,” he said. Netanyahu, who hosted Indian Prime Minister Narendra Modi in July, is due to visit New Delhi next month.

Friday’s deaths in Gaza raised to 10 the number of Palestinians killed by Israeli gunfire since 6 December, Palestinian health officials said.

Gaza militants have also fired rockets into Israel, and two gunmen were killed in an Israeli air strike after one such attack. There have been no Israeli fatalities or significant injuries.

Amnesty International on Friday called on Israeli authorities to stop using “excessive force”.

“The fact that live ammunition has been used during protests in Gaza and the West Bank is particularly shocking,” it said.

In the run-up to the UN vote, Trump threatened to cut off financial aid to countries that supported the resolution. His warning appeared to have some impact, with more countries abstaining and rejecting the document than usually associated with Palestinian-related resolutions.

But most of the European Union, Israel’s biggest trading partner, and countries such as Greece, Cyprus and India, with which Netanyahu has pursued closer relations and economic ties, backed the resolution.

“I prefer we have tight bilateral relations over a situation in which we don’t have close bilateral relations, and they vote in our favour in the United Nations,” Oren said, describing India’s vote as “certainly disappointing”.

Saturday, October 28, 2017

যে কারণে ইসলাম গ্রহণ করেন

Image result for মোহাম্মদ আলী

ক্রীড়াজীবনের শুরুর দিকেই কিংবদন্তি মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী রিংয়ের ভেতরে ও বাইরে অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তিনি আমেরিকান মুসলিমদের আদর্শ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

এক চিঠিতে মোহাম্মদ আলী তাঁর ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করেছেন। তিনি কেন মুসলিম হলেন, তা একটি কাগজে আলীকে লিখে রাখতে বলেছিলেন তাঁর স্ত্রী বেলিন্দা। এরপরই তিনি বেলিন্দার জন্য ওই চিঠি লেখেন।

আলী চিঠিতে লুইসভিলেতে তাঁর কৈশোরের কথা উল্লেখ করেন। তখন তাঁর নাম ছিল ক্যাসিয়াস ক্লে। তখন রাস্তা দিয়ে স্কেটিং করার সময় ফুটপাতে কোনো সুন্দরী নারী হেঁটে যাচ্ছে কি না, তা নজরে রাখতেন তিনি। আর এটি করতে গিয়েই মুসলিম সংগঠন ‘নেশন অব ইসলাম’–এর পক্ষে পত্রিকা বিক্রি করতে দেখেন এক ব্যক্তিকে। ওই সংগঠন ও সংগঠনটির নেতার বিষয়ে আলী আগে থেকেই শুনেছিলেন। তবে ওই সংগঠনে যোগ দেওয়ার বিষয়টি তিনি তখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেননি। সংগঠনটি ইসলামের আলোকে আত্মোন্নয়ন ও কৃষ্ণাঙ্গদের বিচ্ছিন্নতার কথা প্রচার করত।

ভদ্রতার খাতিরে আলী একদিন ওই সংগঠনের পত্রিকা কেনেন। পত্রিকায় প্রকাশিত একটি কার্টুন তাঁর নজরে আসে। কার্টুনে দেখা যায়, এক শ্বেতাঙ্গ মালিক তাঁর কৃষ্ণাঙ্গ দাসকে মারধর করছেন এবং যিশুর কাছে প্রার্থনা করার জন্য ওই দাসকে চাপ দিচ্ছেন। কার্টুনের বার্তা ছিল—শ্বেতাঙ্গরা তাঁদের দাসদের ওপর খ্রিষ্টধর্ম জোর করে চাপিয়ে দিয়েছে। কার্টুনটি আলীর মনে দাগ কাটে।

চিঠিতে ইসলামের প্রতি আলী কেন আকৃষ্ট হন, তার কোনো আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা দেননি। এ বিষয়টি তিনি বাস্তবতার আলোকেই ব্যাখ্যা করেন। ওই কার্টুন তাঁকে জাগিয়ে তোলে। তিনি বুঝতে পারেন, খ্রিষ্টধর্ম তাঁর পছন্দ নয়। ক্যাসিয়াস ক্লে নামটিও তাঁর পছন্দ নয়। কাজেই তিনি কেন দাসত্ব বয়ে বেড়াবেন?

১৯৬৪ সালে ২২ বছর বয়সে মোহাম্মদ আলী বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেন। এরপর আলী জনসমক্ষে খ্রিষ্টধর্ম ত্যাগ করার কথা এবং নিজের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহ এবং শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমি শ্বেতাঙ্গ প্রতিবেশীদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করব না। আমি শ্বেতাঙ্গ কোনো নারীকেও বিয়ে করতে চাই না। ১২ বছর বয়সে আমি খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হই। তবে আমি কী করছি, তখন তা জানতাম না। আমি আর খ্রিষ্টান নই।’

নেশন অব ইসলামের নেতা এলিজা মোহাম্মদের মৃত্যুর পর সংগঠনটির আমূল সংস্কার করা হয়। এরপর আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। পারকিনসনস রোগে আক্রান্ত হলে আলীর কণ্ঠে জড়তা চলে আসে। তবে তিনি মাঝেমধ্যে ধর্মীয় বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার জন্য তাঁর গুণগ্রাহীদের আমন্ত্রণ জানাতেন।

মোহাম্মদ আলীর জীবনী নিয়ে লেখা গ্রন্থ ‘আলী’র রচয়িতা জনাথন ইগ তাঁর ওই গ্রন্থটি রচনার জন্য আলীর স্ত্রী বেলিন্দার সাক্ষাৎকার নেন। এ সময় বেলিন্দা তাঁকে ওই চিঠিটি দেন। গত বুধবার জনাথন সেটি নিয়ে আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিষয়ক জাতীয় জাদুঘরে যান। তাঁর উদ্দেশ্য জাদুঘরের সংগ্রহশালায় চিঠিটি দেওয়া।

Friday, October 27, 2017

Catalan independence group calls for "peaceful resistance" to Madrid

Demonstrators hold up banners reading `Freedom` in reference to the jailed leaders of Catalan pro-independence movements ANC and Omnium Cutural, Jordi Sanchez and Jordi Cuixart, near the Catalan regional parliament in Barcelona, Spain, 27 October, 2017. Photo: Reuters


The main secessionist group in Catalonia, the Catalan National Assembly (ANC), on Friday called on civil servants not to follow orders from the Spanish government after Madrid authorised direct rule over the region.

Following a declaration of independence in Catalonia the upper house of Spain's parliament authorised the government of prime minister Mariano Rajoy to rule Catalonia directly from Madrid.

The ANC called on Catalan civil servants to respond with "peaceful resistance".

কাতালোনিয়াকে কঠোর বার্তা দিল স্পেন



কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টে স্বাধীনতা ঘোষণার রায় আসার পর পর তাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিল স্পেন সরকার। সেখানে ‘আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার’ ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রাহয় টুইটার বার্তায় কাতালোনিয়ায় প্রতি নিজেদের কঠোর অবস্থানের বার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘আমি স্পেনের প্রতিটি নাগরিককে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কাতালোনিয়ায় আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। ওই অঞ্চলে বৈধতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।’

এর আগে আজ শুক্রবার স্পেনের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী রাহয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাঁর এ বক্তব্যের কিছুক্ষণ পর কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা আসে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আজ কাতালোনিয়া আঞ্চলিক পার্লামেন্টে স্বাধীনতার পক্ষে ৭০ ভোট পড়ে। বিপক্ষে পড়ে ১০ ভোট। পার্লামেন্টের বিরোধী দল এই ভোট বর্জন করে।

এর আগে কেন্দ্রের বাধা উপেক্ষা করে ১ অক্টোবর গণভোটের আয়োজন করা হয় কাতালোনিয়ায়। তাতে ৯০ শতাংশ ভোট পড়ে স্বাধীনতার পক্ষে। ওই ভোটকে অসাংবিধানিক বলে আখ্যা দেয় স্পেন সরকার।

স্পেন থেকে পৃথক হতে স্বাধীনতা ঘোষণা কাতালোনিয়ার




স্পেন থেকে পুরোপুরি পৃথক হতে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কাতালোনিয়া। আজ শুক্রবার কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে স্বাধীনতা ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় যখন কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন জারির কথা বলছিলেন, এর কিছুক্ষণের মধ্যেই কাতালান পার্লামেন্ট স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে রায় দিল।

 বিবিসির খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়া আঞ্চলিক পার্লামেন্টে স্বাধীনতার পক্ষে ৭০ ভোট পড়ে। বিপক্ষে পড়ে ১০ ভোট। পার্লামেন্টের বিরোধী দল এই ভোট বর্জন করে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী রাহয় বলেন, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এর আগে কেন্দ্রের বাধা উপেক্ষা করে ১ অক্টোবর গণভোটের আয়োজন করা হয় কাতালোনিয়ায়। এতে ৯০ শতাংশ ভোটার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেন। স্পেন সরকার এই গণভোটকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক হিসেবে অভিহিত করে এসেছে।

২১ অক্টোবর কাতালোনিয়া সরকারকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকার’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্পেন সরকার। আঞ্চলিক সরকার যাতে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে না পরে, সে লক্ষ্যে স্পেনের মন্ত্রিসভা ওই সরকার বাতিলের পক্ষে মত দেয়। তখন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নের আঞ্চলিক নেতা কার্লোস পুজেমন একপক্ষীয় এবং আইনবহির্ভূতভাবে গণভোটের আয়োজন করেছিলেন। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকারের প্রধান কার্লোস পুজেমন এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ও স্পেনের সাবেক স্বৈরাচার ফ্রাঙ্কো-পরবর্তী সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অনাচার বলে উল্লেখ করেন। 

স্পেনের সংবিধানে কোনো বিদ্রোহী অঞ্চলের কর্তৃত্ব নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া আছে কেন্দ্রকে। এরপর থেকেই কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করার কথা ভাবছিল স্পেনের সরকার। স্পেনের বিত্তশালী অঞ্চল কাতালোনিয়া। জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। এর রাজধানী বার্সেলোনা। অঞ্চলটির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। পাঁচ বছর ধরেই স্বাধীনতার কথা উঠছে। তবে ২০১৫ সালে কাতালোনিয়ার প্রাদেশিক পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা। 

নির্বাচনের ওই ফলের মধ্য দিয়ে স্পেন থেকে পৃথক হয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যায় কাতালোনিয়া।

Thursday, October 26, 2017

‘হোটেল কক্ষে হার্ভে আমাকে ধর্ষণ করেছিলেন’




নরওয়ের অভিনেত্রী ও মডেল নাতাশিয়া মালথে অভিযোগ করেছেন, ২০০৮ সালে লন্ডনে একটি হোটেলের কক্ষে হলিউডের প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টেইনের কাছে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন।

ব্রিটিশ অনলাইন ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে হার্ভে ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে নরওয়ের অভিনেত্রী নাতাশিয়া এ অভিযোগ করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি হার্ভে ওয়েনস্টেইন।

হলিউডের প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর সারা বিশ্বে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির ঘটনাগুলো সামনে চলে আসছে। যেসব নারী ও পুরুষ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ ‘#মি টু’ দিয়ে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করছেন। নারীরা হার্ভে ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ যৌন হয়রানির দুই ডজনের বেশি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, গিনেথ প্যালট্রো ও রোজ ম্যাকগোয়ানের মতো তারকারা রয়েছেন। যদিও হার্ভে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, সম্মতি ছাড়া তিনি কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেননি।

নাতাশিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘২০০৮ সালে লন্ডনে বাফটা অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানের আগে স্যান্ডারসন হোটেলের কক্ষে হার্ভে আমাকে ধর্ষণ করেছিলেন। আমি কোন হোটেলে উঠেছি তা জানার জন্য হার্ভে অনেক চাপ দিয়েছিলেন।’

নরওয়ের ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন, ‘২০০৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে পৌঁছে হোটেলের কক্ষে ঘুমাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু দরজায় বেশ কয়েকবার কড়া নাড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। দরজা খুলে দেখি আপত্তিকর অবস্থায় হার্ভে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি ঘরে ঢুকে আমাকে তাঁর পরবর্তী সিনেমায় চরিত্র দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সংসর্গ করার কথা বলেন।’



লন্ডনে ২০০৮ সালে বাফটা অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানে নরওয়ের অভিনেত্রী ও মডেল নাতাশিয়া মালথে। ছবি: এএফপি
নাতাশিয়া বলেন, ‘হার্ভে যখন এসব করছিলেন, তখন আমি বিছানায় বসে ছিলাম। তিনি আমার সঙ্গে জোরজবরদস্তি করা শুরু করেন। একসময় ধর্ষণ করেন। এতে আমার কোনো সম্মতি ছিল না। আমি হতবাক হয়েছিলাম। এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা আমি করিনি। চোখ বন্ধ করে জঘন্য ঘটনাটি শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। একজন মৃত মানুষের মতোই শুয়ে ছিলাম।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনার পরদিন একটি সিনেমার স্ক্রিপ্ট হাতে পান নাতাশিয়া। হার্ভের প্রযোজনায় ওই ছবিতে ড্যানিয়েল ডে-লুইস, নিকোল কিডম্যান ও জুডি ডেঞ্চের অভিনয় করার কথা। স্ক্রিপ্ট হাতে পাওয়ার পরই নাতাশিয়া লস অ্যাঞ্জেলসে ফিরে যান।

নাতাশিয়ার অভিযোগ, এরপর সিনেমা নিয়ে আলোচনার জন্য হার্ভে তাঁকে বেভারলি হিলস পেনিনসুলা হোটেলে দেখা করতে বলেন। হার্ভে আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে সহকারীও থাকবেন। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আবারও হার্ভে আরও এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে বিকৃত যৌনতার প্রস্তাব দেন। এ সময় নাতাশিয়া সেখান থেকে ফিরে যান।

এ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘হলিউডে আরও ক্ষমতাধর ব্যক্তির কাছে যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। তবে হার্ভের সঙ্গে এ অভিজ্ঞতা সবচেয়ে জঘন্য ছিল।’

নাতাশিয়ার আইনজীবী গ্লোরিয়া অলরেড বলেন, হার্ভের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করবেন কি না, নাতাশিয়া তা নিয়ে ভাবছেন।

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার হার্ভের সাবেক প্রযোজনা সহকারী মিমি হ্যালেই একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। মিমির অভিযোগ, ২০০৬ সালে তাঁর বাড়িতেই হার্ভের কাছে তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁকে কয়েকবার না করেছিলাম। তারপরও তিনি জোর করে নির্যাতন করেন। তবে তিনি ধর্ষণ করতে পারেননি। আমি লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়েছিলাম।’

যৌনতার অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী হলিউডের প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে লন্ডন, নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর দ্য ওয়েনস্টেইন কোম্পানির (টিডব্লিউসি) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

ছয় হাজার বছরের পুরোনো খুলিটি কার?



পাপুয়া নিউ গিনিতে একটি পুরোনো খুলি উদ্ধার হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি সম্ভবত সুনামির শিকার বিশ্বের প্রাচীনতম মানুষের মাথার খুলি। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাথার খুলিটি ১৯২৯ সালে দেশটির অটেপ শহরের কাছাকাছি একটি স্থান থেকে আবিষ্কৃত হয়। এটি মূলত আধুনিক মানুষের পূর্বপুরুষ হোমো ইরেকটাস প্রজাতির। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই এলাকা এককালে উপকূলীয় অঞ্চল ছিল। প্রায় ছয় হাজার বছর আগে সেখানে সুনামি আঘাত হানে। তাঁদের বিশ্বাস, উদ্ধার হওয়া মাথার খুলিটি সুনামিতে মারা যাওয়া একজন ব্যক্তির।

১৯৯৮ সালে এক বিধ্বংসী সুনামি আঘাত হানার পর ওই এলাকার মাটি ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে করা এক গবেষণার পর তাঁরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেমস গফ বলেন, ‘যখন হাড়গুলো ভালোভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছিল, তখন পললগুলো বিশ্লেষণে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল।’ তিনি বলেন, তলদেশের ‘ভৌগোলিক সাদৃশ্য’ মিলিয়ে দেখা যায় যে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের অভিজ্ঞতায় সুনামির আঘাত রয়েছে। অধ্যাপক গফ বলেন, ‘গবেষণার পর আমরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে ওই ব্যক্তি এত বছর আগে মারা গিয়েছিলেন যে সম্ভবত তিনি ছিলেন পৃথিবীর প্রাচীনতম সুনামির শিকার।’

বিজ্ঞানীরা এটাও বলছেন, হতে পারে সুনামি ঘটে যাওয়ার আগেই ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছিলেন এবং তাঁকে সমাহিত করা হয়েছিল। গবেষণায় শস্যের আকার এবং সমুদ্র তলদেশের গঠন সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক আণুবীক্ষণিক প্রাণী ও ১৯৯৮ সালের সুনামিতে মারা যাওয়া দুই হাজারের বেশি মানুষের নমুনা। গবেষক দলটি রেডিও কার্বন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যা সঠিকভাবে বয়স নির্ধারণ করে।

গবেষকেরা বলছেন, পিএলওএস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা সমাধানের জন্য উপকূলীয় এলাকার অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত।

৭০ হত্যায় ‘জড়িত পাকিস্তানি কসাই’ গ্রেপ্তার


‘চুক্তিভিত্তিক খুনি’ পাকিস্তানি এক নাগরিক হাঙ্গেরিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইন্টারপোল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তারে আগেই পরোয়ানা জারি করে। দেশটিতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৭০টি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি পাকিস্তানে তালিকাভুক্ত মোস্ট-ওয়ান্টেড ব্যক্তি।

হাঙ্গেরি পুলিশ জানিয়েছে, অভিবাসীদের একটি দলকে অস্ট্রিয়ায় পাচার করা হচ্ছিল। ওই দলের ভেতর থেকে পাকিস্তানি ওই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পেশাদার অস্ত্রধারী অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বয়স ৩৫। তিনি ‘পাকিস্তানি কসাই’ বলে পরিচিত।

অস্ট্রিয়ান ফেডারেল ক্রিমিনাল ব্যুরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে বলি এলাকা থেকে পাকিস্তানি ওই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

বলি এলাকাটি হাঙ্গেরির ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া সীমান্ত এলাকায়। পাকিস্তানি ওই নাগরিককে কবে দেশটিতে ফেরত পাঠানো হবে সে ব্যাপারে কয়েক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Wikipedia

Search results

Popular Posts