Showing posts with label LIFESTYLE. Show all posts
Showing posts with label LIFESTYLE. Show all posts

Saturday, December 23, 2017

৬ শ’ কোটি ডলারের বিনিময়ে প্রিন্স ওয়ালিদ বিন তালালের মুক্তি!

news-image



হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল ইস্ট্রীট জার্নাল বলছে, সৌদি আরবের ধনকুবের প্রিন্স ওয়ালিদ বিন তালালের মুক্তি পেতে হলে তাকে খরচ করতে হবে ৬ শত কোটি মার্কিন ডলার।

ওয়ালিদ বিন তালালের এক নিটত্মীয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তালাল নিজ মুক্তির জন্য সরকারের শর্ত মেনে ওই ডলার খরচ করতে সম্মত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মাসে ৬২ বছর বয়সী প্রিন্স ওয়ালিদ বিন তালাল শাহজাদা মুহাম্মাদ বিন সালমানের দুর্নীতি বিারোধি অভিযানে গ্রেফতার হন।তাকে বর্তমানে সৌদির রাজধানী রিয়াদস্থ রাজকীয় হোটেলে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

আমেরিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী ওয়ালিদ পৃথিবীর ৫৭তম ধনাঢ্য ব্যক্তি।

ডেইলি পাকিস্তান।

নদীর একুল ভাঙ্গে ঐকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা. সকাল বেলার ধনীরে তুই ফকির সন্ধা বেলা।।।

Image may contain: 1 person



ছেলে→আই লাভ ইউ তমা
মেয়ে→থাপ্পর চিনেন..
ছেলে→চিনি তো..
মেয়ে→খাবেন..
ছেলে→কে দিবে..
মেয়ে→কেনো আমি দেবো..
ছেলে→দারিয়ে আছো কেনো দাও..
মেয়ে→ আপনার লজ্জা করে না.
ছেলে→কেনো আমি তো পেন্ট পরে আছি..
মেয়ে→ আপনাকে যে কি করি..
ছেলে→ বিয়ে করো..
মেয়ে→আপনাকে একটা থাপ্পর দেয়া উচিত..

ছেলে→ চাইলে কিস ও করতে পারো.না করবো না
মেয়ে→কি করেন আপনি
ছেলে→ পড়াশোনা করি..
মেয়ে→আপনার বাবা কি করেন।
ছেলে→বাবা নেই..
মেয়ে→ মারা গেছে..
ছেলে→আসলে আমি জানি না..
মেয়ে→আপনার মা কি করেন..
ছেলে→মা জন্মের পর মারা গেছেন..

মেয়ে→কোথায় থাকেন...
ছেলে→বস্তিতে..
মেয়ে→ওখানে থাকেন কেনো..
ছেলে→এক ভিখারীর কাছে এখন ওনি আমার মা...
মেয়ে→ফকিন্নির পোলা তোর কও বড় সাহস..
ছেলে→আপনাকে ভালবাসতে পারবো না কেনো...
মেয়ে→একটা ভিখারীর ছেলেকে ব্রয়ফেন্ড কি করে বানাই..
ছেলে→আমি আর তোমার সামনে আসবো না..

ঠিকি তো আমি তো একটা ভিখারীর ছেলে..
আর আমার ভালবাসার কথা মোখে আনাও পাপ..

আমি ফারাবী হাবীব.ডাক নাম ফারাবী..
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিক্স করছি।

জন্মের সময় মা মারা গেছেন তাই মার মোখটা পর্যন্ত দেখিনি...এক ভিখারীর কাছে বড় হয়েছি...।
যখন একটু বুঝতে শিখেছি..তখন এক টোকাই দলে নাম লিখিয়েছি..
সারাদিন টোকাই করে যা পেতাম, তা দিয়ে পেট চলত।
একদিন পাশের মহল্লার কয়েকটা টোকাই আমায় মেরেছিলো...তাই মা আর টোকাই গিরি করতে দেননি..

কিছুদিন পর একটা স্কুলে এ পাঠান। আর মা সারাদিন রাস্তায় মানুষের কাছে টাকা নিয়ে সংসার চালায়।
পাইমারী শেষ করে হাইস্কুলে এ আসি,খুব মেধাবী ছিলাম,সব ক্লাসে ফাস্ট হতাম..

পড়ার পাকে একটা ফ্লাস্টিক কারখানায় কাজ করতাম,
যা বেতন পেতাম তা দিয়েই সুন্দর পেট চলত।
মা মানুষের কাছ থেকে খুঁজে পড়ার খরচ চালাতো.
খুব ভাল কিছু খেতে পারতাম না। নিম্নমানের চাল আর কাঁচাজ্বাল পিঁয়াজ..হলেও চলতো,

মাঝে মধ্যে মা বড় লোকের এটো বাসি খাবার নিয়ে আসতো। আমি লোভ সামলাতে পারতাম না, তারাহুরো করে খেয়ে নিতাম,খাবার শেষে ডেকুর দিয়ে যখন মায়ের দিকেকে তাকাতাম, দেখতাম মায়ের চোখে জল.
আমাকে দেখে মোখ আড়াল করে নিতো...
আর বলতো... বাজান চোখটা মনে হয় খারাপ। হইয়া গেছে খালি পানি পড়ে।।।

তুই কবে বড় হবি বাজান,আমারে মেমসাব গো মতন একখান বড় চসমা কিন্না দিবি। আমি তো বুঝি মায়ের চোখের জলের উস্স্য..হে আমাকে বড় হতে হবে অনেক বড়।।
তাই কাদের চাচার গেরেজ থেকে একটা রিকসা ভাড়া নিলাম....

ফ্লাস্টিক কারখানার কাজটা ছেড়ে দিলাম, মালিক বেটা খালি পেন পেন করে. স্কুল থেকে এসে রিকসা চালানোর জন্য বের হই...রাতে আবার পড়তে বসি।
সামনে পরীক্ষা, এমন করে চলতেছে দিন।

একদিন দুইজন বড়লোক আমার রিকসায় উঠলো.. আর বলতেছে, আজকের শপিংটা দারুন হইছে, তাইনা
আমি ভাবলাম অনেক টাকার মারকেট করছে।
দশটাকা বকসিস চাইবো হয়তো না করবে না।
রিকসা থেকে নামার পর ভাড়া দশটাকা দিলো,
আমি বললাম সাহেব আর দশটাকা বেশি দেননা,
কিছু খাবো, ওনি আমাকে একটা থাপ্পর দিলো।।

আমি নাকি ভাড়া বেশি চেয়েছি. আরেক জন বলে তুমি ওদের গায়ে হাত দিলে কেনো, ওদের শরীরে জীবানু থাকে...তুমি জানো না
রাতে বস্তিতে ফিরলাম, কাল S.S.C পরীক্ষা।।
পরীক্ষা শেষ ভাল রেজাল্ড হইছে আমার, গোল্ডেন প্লাস।
দৌরে বস্তিত গেলাম মাকে বললাম মা আমি পরীক্ষায়
পাস করছি, গোল্ডেন প্লাস পাইছি...

মা বললো সত্যি বাজান, কেরুম্মা পেলাস বাজান ঐ যে
কারেন বাও করে এই পেলাস নি, বাজান পেলাসটা বেইছা এক কেজি চাউল আনিছ, আইজগা ঘরে চাউল নাই... আমার মা আজো বুঝেনা প্লাস মানে কি।।।।

... এভাবেই কাঠলো কয়েক বছর।


মা রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করে ভার্সিটিতে ভর্তি করাই..
আমি ফকিন্নির পোলা বলে, তাই কেউ আমার বন্ধু হতে চায়নি....

আমি আজ ম্যাজিট্টেড. আরো দশজনের মতো আমাকে সবাই স্যার বলে ডাকে...এখন গাড়ি বাড়ি সব কিছু আছে আমার,, আর আছে সব চেয়ে দামি আমার ভিখারি মা...

কিছুদিন পর বিয়ের জন্য পএিকায় নাম দেই, শত লোকের লাইন আমার বাসার সামনে...একজন কে সিলেক্ট করি..মেয়ের বাবা বাসার ঠিকানা দিলো. আমার মা সোমবার দিন যাবে বলে দিলেন.!

সোমবার→গাড়ি নিজেই ড্রাইভ করি মা পাশে বসা।
বাড়িতে গেলাম, সবাই অনেক খাতির করলো।
বসে আছি মেয়ের বাবা বললো মেয়েকে নিয়ে আসতে।

দুটি মেয়ে -ওনাকে নিয়ে আসলো মাথার ঘুমটা যখন
খুললো আমি অভাক, সে আর কেউ নয় সে যে তমা..।
কলেজ লাইফে আমি যে ওর পেছনে ঘুরে ছিলাম।

আমি ওনার সাথে একা কিছু কথা বলতে চাই,
সবাই রাজি হলো...দুজন ছাদে চলে গেলাম,
খোলা আকাশের দিখে তাকিয়ে খুব জুরে নিঃশ্বাস ফেললাম।

আমি→কাশি দিলাম
তমা→ কি পানি খাবেন
ফারাবী→না..কেমন আছো তমা?
তমা→আপনি আমার নাম জানেন।
ফারাবী→হুমম-তুমি আমাকে কতোটুকো জানো..
তমা→আপনি একজন ম্যাজিট্টেড.
ফারাবী→ না এর বাহিরে অনেক কিছু আছে!
তমা→মানে..

ফারাবী→তুমি আমাকে চিনতে পারোনি,আমি সেই
ফারাবী একজন ভিখারীর ছেলে..
যে তোমাকে ভালবাসতো, যাকে তুমি ফকিন্নীর ছেলে বলে অপমান করে ফিরিয়ে দিয়েছো..
আমি সেই বস্তির ছেলে ফারাবী...

তমা→ এতটা সেইন্চ কি করে
ফারাবী→ মুচকী হাসি দিলো..

হঠাৎ কোথা থেকে বাতাসে গান বাজতে লাগলো।
🎶.নদীর একুল ভাঙ্গে ঐকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা.
সকাল বেলার ধনীরে তুই ফকির সন্ধা বেলা।।।

কেমন হলো জানাবেন.....
#শেষ বিকেলের ট্রেন

‘আমার চলাফেরা দেখতে পারেন না শাশুড়ি’




সমস্যা

আমার বয়স ৩৪ বছর। বিয়ে হয়েছে সাড়ে চার বছর। আড়াই বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। শুরু থেকেই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই অপছন্দ করে। বাবার বাড়ি যেতে দেয় না। যৌতুকের জন্যও জোরাজুরি করে। মোট কথা, আমার খাওয়া, চলাফেরা দেখতে পারে না আমার শাশুড়ি। এখন মেয়ে বড় হয়েছে, তার সামনেই আমাকে অপমান করে। এমনকি মেয়েকেও সহ্য করতে পারে না। ওকে কেন খাওয়াতে এত সময় দিই, তা তার ছেলের কাছে নালিশ করে। আমার স্বামীও আমাকে বোঝে না, যা আমাকে খুব পীড়া দেয়।

ইদানীং এই মাত্রা আরও বেড়েছে। আমার এখন প্রায়ই মন খারাপ থাকে। অভিযোগ শুনতে শুনতে নিজেকে ভারসাম্যহীন মনে হয়। আমি এখন কী করব?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ

চিঠি পড়ে বুঝতে পারছি, সাড়ে উনত্রিশ বছর বয়সে তোমার বিয়ে হয়েছে। তুমি লেখাপড়া কতটুকু করেছ, সেটি জানালে ভালো হতো। আমাদের দেশের মেয়েরা লেখাপড়া শিখে উপার্জনক্ষম হতে পারলে এভাবে নিগৃহীত হতে হতো না। দুঃখজনক হচ্ছে, তাঁদের অভিভাবকেরাও এ ব্যাপারে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সচেতন থাকেন না বলে কন্যাসন্তানটিকে উচ্চশিক্ষার জন্য খুব উৎসাহিত করেন না। এতে করে অনেক মেয়ে আত্মসম্মান বোধের অভাবে খুব অসহায়ভাবে বড় হতে থাকে।

তোমার জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো বাংলাদেশের অধিকাংশ মেয়ের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়। তোমাকে যদি নিজের বাবার বাড়ি অর্থাৎ যেখানে তুমি জীবনের একটি বড় সময় কাটিয়েছ, সেখানেই যেতে না দেয়, তাহলে নিজেকে মানসিকভাবে ভালো রাখবে কেমন করে? এটি তোমার একটি মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও তুমিও মনের শক্তি ব্যবহার করে ভদ্রতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে অধিকার আদায় করতে পারছ না। কারণ, এই জীবনদক্ষতাগুলো শেখার ক্ষেত্রে আমাদের পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সফল হতে পারেনি। এ ছাড়া যৌতুকের জন্য তোমাকে যেভাবে অসম্মান করা হচ্ছে, তা সত্যিই খুব অনাকাঙ্ক্ষিত।

তোমার স্বামী যদি এই অসহায় অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে কিছুটা সহায়তা দিতে পারতেন, তাহলে খুব ভালো হতো। তিনি কি মায়ের খুব বেশি ভক্ত বলে এ বিষয়ে কোনো কিছুই বলেন না? বিশেষ করে শাশুড়ি যখন তোমার মায়ের প্রসঙ্গে কথা বলছেন, তখন স্বামী তাঁর মাকে কিছু বলতে না পারলেও যদি তোমার কষ্টের সঙ্গে সহমর্মী হতে পারতেন, তাহলে নিজেকে সামলে নিতে তোমার অনেক সুবিধা হতো।

যে সন্তানটি এই পরিবারে বড় হচ্ছে, সে যখন ক্রমাগত তার মাকে বিষণ্ন হতে দেখছে, তখন তার মানসিক গঠনের ওপরেও তো এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ওর ছোট্ট মস্তিষ্কে যে ছাপগুলো পড়ছে, সেটি কিন্তু পরবর্তী জীবনে ওকেও বিষণ্নতায় ভোগাতে পারে।

তুমি বিষয়টি নিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে পারো। বিশেষ করে যেহেতু সে একটি মেয়ে সন্তান, তার জন্য নিজের মাকে অসম্মানিত হতে দেখাটা একেবারেই অনভিপ্রেত। এতে করে তার পক্ষে আত্মসম্মান বোধ নিয়ে বড় হওয়াও কঠিন হতে পারে।

আমি তোমাকে অনুরোধ করব, সন্তানটি আরেকটু বড় হলে তুমি নিজেকে আরও যোগ্য করে তুলে বাইরে কোনো কাজ করার প্রস্তুতি নিতে পারবে। মেয়েরা যখন নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে, তখন তাদের কন্যাসন্তানেরাও সেটি দেখে নিজেদের সাফল্য অর্জনের পথে এগোতে উৎসাহিত হয়। তোমারও বিষণ্নতা তাতে যে কিছুটা কাটবে, সেটি নিশ্চিত করে বলা যায়।

Friday, December 22, 2017

Simple tricks for a good night’s sleep

sleeping


Do you wake up in the middle of the night and keep staring at the ceiling thinking of ways to finally get some rest before the alarm rings? Are you tired of restless tossing and turning during sleep time? Do you wake up feeling tired in the morning? Try these simple tips to get a perfect good night’s sleep.

AnkitGarg, co-founder and CEO of Wakefit and Devrath Vijay, Founder of the functional training studio, The Outfit, suggest some sleep-inducing tricks to try out the next time you fail to catch forty winks:

Listen to bedtime stories, millennial style: Remember those good old days when you enjoyed listening to grandma’s bedtime stories? Not only did her narrations transport you to lands of mystery and utopian countries, but they easily drifted you off to the world of slumber as well. Try the same technique now. Listen to stories or audio books as you tuck in and let your brain relax for a good night’s sleep. There are tons of podcasts and services such as Amazon’s Audible that you can use for this purpose.

Choose the right mattress: One main reason for your sleepless nights could be your uncomfortable mattress. The best way to address this trouble is to switch to a comfortable mattress that allows you to submerge in deep sleep and wake up in the morning without aches and pains. Look for a mattress like the ones made by Wakefit that provide complete spine support and are designed keeping ergonomics in mind. Enjoy the compressed relaxation that the memory foam offers, which will make you feel that you have slept for a longer duration of time.

Block all blue light screens before bedtime: It’s imperative to create a calming ambience in your room to get the best quality of sleep. Block all the blue lights emitted from screens of cell phones, computers, tablets, televisions and other gadgets in your bedroom.

Listen to white noise: Are the sounds of bikes and cars hampering your sleep? The best way to ignore all these external disturbances during sleep time is to listen to white noise. White noise is an ambient noise produced digitally combining different sounds like rustling leaves, rumbling waterfall, etc. White noise works in the background and drowns out other disturbing sounds of traffic, snoring, etc. White noise has the ability to relax you and induce sleep. This is especially helpful if you live in proximity to main roads with higher vehicular traffic. Worth a try!

Drink cherry juice: If you’re struggling with a sleep disorder, then try sipping a glass of cherry juice before you’re off to bed. According to several studies, cherries contain melatonin, a hormone that helps regulate sleep patterns. Isn’t this a ‘sweet’ way to drift off into the land of nods?

Do a headstand: Turning the body upside down is not an easy task. However, a headstand will supply enriched oxygenated blood to the  brain cells and ward off all depressive thoughts. This exercise if done regularly can beat any kind of sleep disorder. A must try!

Place lemons in your room: If you are prone to allergies or suffer from asthma or cold and find it difficult to catch good sleep, then simply cut a lemon and place it next to your bedside table. This will not only leave a fresh citrus scent in your room but will also help you breathe better and sleep well. A cool trick indeed!

Thursday, November 9, 2017

Be optimist to attain good health

.


Don't lose hope so early due to excessive academic pressures as a new study has found that people who act optimistic and remain happy in all circumstances enjoy good health.

The research majorly focused on college students and stated that those who suffer high rates of anxiety and depression because of exam pressures, often tend to neglect their physical health care and exercises.

As a result, students develop low blood pressure problems that further makes their body weight lower and increases the risk of depression and anxiety.

"They have structured, organised physical educations classes," said Weiyun Chen, associate professor at the University of Michigan.

"It's not just fitness, it is a variety of things so you can meet different people's needs. They realised that emphasizing only academics isn't good for overall health, and that they needed to emphasize the wellness part," he added.

The researchers rated 925 students on four indicators of psychological well-being: hope, gratitude, life satisfaction and subjective happiness. To assess the physical and mental health, the researchers asked the students various questions related to their sleep quality and how often do they feel healthy, energised, worthless, fidgety, anxious or depressed.

The results showed that the students possessing a positive outlook regarding their career had a normal body weight that further contributed to good health.

The study, published in the Biomedical Journal of Scientific and Technical Research found that the four psychological variables and the body weight accounted for 41 per cent of the total variance in health. Individually, subjective happiness had the most significant impact, followed by hope, and then the body weight.

Saturday, October 28, 2017

রঙ ফর্সাকারী ক্রিমে ফর্সার বদলে হতে পারে ক্যানসার

রঙ ফর্সাকারী ক্রিমে ফর্সার বদলে হতে পারে ক্যানসার

কে চাই না নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে। তাইতো সবার কাছে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেষ্টার কমতি থাকে না। এই চেষ্টায় আমরা অধিকাংশসময় বেছে নিয়ে থাকি রঙ ফর্সাকারী ক্রিমগুলো। যেটি ব্যবহারের ফলে আমাদের যে ক্ষতি হচ্ছে তা আমরা অনেকেই অবগত নই। তাইতো বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গায়ের রঙ ফর্সা করার ক্রিম ব্যবহারের ফলে ফর্সার বদলে হতে পারে ক্যানসার মতো রোগ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গবেষক সব্যসাচী সরকার তুলে ধরেছেন এমনই তথ্য। 'ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র রসায়ন বিভাগের শিক্ষক সব্যসাচী অ্যাপ্লায়েড ন্যানো সায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত তার প্রবন্ধে লিখেছেন, একাধিক ফর্সা হওয়ার ক্রিমে উপাদান হিসেবে অ্যাক্টিভ কার্বন থাকে। যে কোনও জৈবিক পদার্থ পুড়িয়ে, তার থেকে অ্যাক্টিভ কার্বন পাওয়া যায়। কিন্তু ফর্সা হওয়ার ক্রিমে ব্যবহৃত অ্যাক্টিভ কার্বন কিংবা মাইক্রো কার্বনের মধ্যে 'ন্যানো কার্বন' থাকে। এই ন্যানো কার্বন আলো এবং হাওয়ার সংস্পর্শে 'অ্যাক্টিভ অক্সিজেন'-এ রূপান্তরিত হয়। যা চামড়ার পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। কারণ, এই রাসায়নিক উপাদান কোষ মেরে ফেলে। অ্যাক্টিভ অক্সিজেনের প্রতিক্রিয়ায় চামড়ায় ক্যানসারের মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থার বহুল ব্যবহৃত ফর্সা হওয়ার ক্রিমে যে অ্যাক্টিভ কার্বন ব্যবহার করা হয়, সেই উপাদানের সাহায্যে পানি পরিষ্কার কিংবা গুড় থেকে চিনি বের করা হয়। কিন্তু ক্রিমের ব্যবহার বাড়াতে পারে বিপদ। পাশাপাশি যে সব ক্রিম ব্যবহারে ফর্সা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে সেগুলিও ভ্রান্ত বলেই তাদের মত। কোনও ক্রিমের সাহায্যে ত্বকের রং পরিবর্তন সম্ভব নয়। কোনও ক্রিম ব্যবহার করে ফর্সা হওয়া যায় না। এর কোনও বৈজ্ঞানিক সত্যতা নেই। বরং বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিদের মুখ ব্যবহার করে কিছু কোম্পানি মানুষকে বিভ্রান্ত করে। দীর্ঘ দিন এই ধরনের ক্রিম ব্যবহারের ফল হয় বিপজ্জনক। এর জেরে নানা চর্মরোগ দেখা দেয়।

পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসক সঞ্জয় ঘোষের বলছেন, 'দেহের কিছু অংশ সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসে না। তাই সেই অংশের রং সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসা ত্বকের রঙের তুলনায় বেশি উজ্জ্বল হয়। সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসা ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে কিছু সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু কোনও ক্রিম ত্বককে ফর্সা করতে পারে না। যদি কোনও ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কোনও ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের কথা বলা হয়, তা হলে সেটা কখনই ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চামড়ায় কোনও ক্রিমের ব্যবহার দেহের জন্য ক্ষতিকর। দীর্ঘ দিন ধরে এই ধরনের ক্রিমের ব্যবহারের জেরে নানা অ্যালার্জিও দেখা দিতে পারে।' খবর- আনন্দবাজার পত্রিকা।

Wikipedia

Search results

Popular Posts